জারিকারকের বিরুদ্ধে জারি না করার অভিযোগ, নেপথ্যে জারিকারক সিন্ডিকেট।
কহিনুরের মামলার গ্যারাকলে পরে মহসীনের মামলা প্রতিহত করার হাতিয়ার হিসাবে জর্জ কোর্টের জারিকারক কবির এর মাধ্যমে আদালতের লটকাইয়া জারি করার আদেশ জারিতে টালবাহানা।। জানা যায়, জারিকারক স্থানীয় হওয়ায়, মহসীনের সঙ্গে জারিকারকদের সিন্ডিকেটের সাথে মোটা অংকের টাকা উৎকোচের বিনিময়ে জারি বিলম্বিত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জারি কারকের সাথে কহিনুরের আইনজীবি আলী আকবার বাকবিতন্ডা হয় বলে জানা যায়। এবং জারিকারক জানান, যথা সময়ে জারি করা হবে। ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ প্রায় তিন মাস অতিবাহীত হলেও আদালত বিবাদিকে দেশের বাহিরে থাকায় লটকাইয়া জারি করার সুনির্দিষ্ট আদেশ প্রদান করলেও তা উপেক্ষিত হয়। অভিজ্ঞ মহলের ধারনা, এই জারিকারক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জেলা জর্জ শাস্তিমূলক ব্যাবস্থ্যা না নিলে, কহিনুরের মত অনেকেই এরকম পরিস্থিতির স্বীকার হবেন ও মামলার সূফল থেকে বঞ্চিত হবেন। তারা এই জারিকারকদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবী ও অন্যত্র বদলির দাবী জানান।
এযাবত মহসীনের বিরুদ্ধে দায়েরকরা মামলার সংখ্যা ৬ টি। যথাক্রমে, পারিবারিক আদালতে দেনমহর এর মামলা, যার নং- ১৫৮/১৭ যৌতুক মামলা,যার নং- সি আর ৭১৮/১৭ নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে গাজিপুর থানায় মামলা, যার মামলা নং- ১২৩ (৮)১৭, যাহা পরে পরিবর্তন হয়ে ৭২/১৮ হয়েছে। এনআই এক্ট এর ২টি মামলা, একটি ৯৫ লক্ষ টাকার, যার মামলা নং- সি আর ১৮৮০/১৭ ও অন্যটি ৩৩ লক্ষ টাকা, যার মামলা নং- সি আর ১৯০৭/১৭ যার নোটিশ লটকাইয়া জারি করতে নানা অপকৌশল অবলম্বন ও বাদিকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ৬ নং মামলাটি বিয়ের কাবিন জালিয়াতির । ঐ মামলাতেও কাজি সহ সার্স ওয়ারেন্ট হয়েছে। যার মামলা নং- ৮/১৮, তারিখ- ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ এবং ৮ মার্চ সার্স ওয়ারেন্ট জারি হয়। প্রতারক মহসীন ৭ টি বিয়ে করে সর্বশেষ স্ত্রী কহিনুর বেগম কে ভুয়া তালাক নামালার মাধ্যমে তালাক প্রদান করে এই ঘটনায় কহিনুর বেগম আদালতে মামলা করলে ভূয়া কাবিনকারী কাজী ও মহসীনের বিরুদ্ধে আদালত সার্চ ওয়ারেন্ড জারি করে। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে মহসীন সূদুর আমেরিকায় থেকে কলকাঠি নেড়ে গোপনে মামলা করে পুলিশকে দিয়ে গতকাল বিকেলে কহিনুর বেগম ও তার বৃদ্ধ পিতাকে ( সেনাবাহীনি থেকে অবসর প্রাপ্ত বীর মুক্তিজদ্ধা ) গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তারা থানায় আটক ছিলো ও পরে ছেড়ে দেয়া হয়। কহিনুর ও তার পরিবারকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করার উদ্দেশ্যে পুলিশ প্রসাশনকে মেনেজ করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে । পুলিশের এই ঘটনায় এলাকাবাসি ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রীয়া জানায়। একই সাথে মানবাধিকার সংগঠন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১৮ মার্চ ২০১৮/রুহুল আমিন